একটা আস্ত বিলিয়নিয়ার, এক কাপ কাস্ট আওয়ে, ছয় ভাগের এক ভাগ রবিনসন ক্রুসো, আধা চা চামচ রবিন উইলিয়ামস ফ্রম জুমানজি, ২৫০ গ্রাম মিহি কুচি ব্যাটমান, কয়েক কিউব রিভার্স ডেথস্ট্রোক, মাঝখান থেকে চেরা রবিনহুড পরিমান মত এবং এক মুঠো যা ইচ্ছে তাই। এই হলো উপকরণ।
প্রথমেই ধুয়ে রাখা বিলিয়নিয়ারকে ভালো করে মশলা মাখিয়ে মেরিনেট করতে হবে। এরপর ফ্রাই প্যান গরম করে তাতে কাস্ট আওয়ে ছেড়ে দিতে হবে, সাথে রবিন উইলিয়ামস ফ্রম জুমানজিকেও মিশিয়ে দিন। ফুটতে শুরু করলে ভালো মতন কষিয়ে বিলিয়নিয়ারকে সেদ্ধ করুন। ফ্লেভার উঠলে তাতে ডেথস্ট্রোক এবং রবিনহুড ঢেলে দিন। খেয়াল রাখবেন, বিলিয়নিয়ারের সাথে অপর উপকরণগুলো যেনো খুউব ভালোমতন মেখে যায়। তারপর যা ইচ্ছে তাই দিয়ে একটু নেড়েচেড়ে দুর্গন্ধ উঠলে বুঝবেন যে এটা তৈরি। অতঃপর মিহি কুচির ব্যাটমান ছিটিয়ে, তাকে ঘোমটা দিয়ে পরিবেশন করুন।
জনস্বার্থে- কেকা ফেরদৌসি
উল্লেখ্য- অলিভার কুইনকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছিলো নর্থ চায়না সি তে, যার কোনো অস্তিত্বই নাই সিরিজ ক্রিয়েটরের ক্রিয়েটিভিটির মতন।
বাড়ি এলেন, দেখলেন, আর টাইমলাইন গুলায় দিলেন!
বাড়ি এলেন। তার উপরে ঠাডা পড়লো। হেরপর থেইকা সে নিজেই এক জীবন্ত ঠাডা। ফরেনসিক এক্সপার্ট হইলেও তার আছে অফুরন্ত সময় আর গোলা ভরা চেতনা। তাই আঞ্জুমান মফিদুলের আম্রিকান শাখা স্টার ল্যাবসের হয়ে টাইম ওয়েস্ট করেন তিনি। ওয়েস্ট দেখে মনে পড়লো, তার আছে আইরিস ওয়েস্ট। টিভি সিরিজ দুনিয়ার সবচাইতে বিরক্তিকর ক্যারেক্টার।
বাড়ির মাঝে বাংলা সিনেমার নায়ক হবার সকল দোষ বিদ্যমান। বাপ্পারাজের মতো ছ্যাকা খাওয়া, ইলিয়াসের মতো সিরিয়াস হয়ে যাওয়া, ওমর সানীর মতো ফ্যাত কইরা কাইন্দা দেয়া আবার জলিলের মতো কমেডি করে শুধু নিজেই তাতে হাসা। সে স্টার ল্যাবসে যেমনে কামলা দেয়, জাস্ট একটা শেলাই মেশিনওয়ালা শাবানা পাইলেই তার ভাগ্যের চাক্কা ঘুরে যাইতো। কষ্ট কইরা আর টাইমলাইন গুলান লাগতো না।
সে তার মায়ের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে আরেক দুনিয়ার লগে আমগো দুনিয়ার শেয়ারইট কানেক্ট করায় দিছিলো। কিন্তু তাতেও তার মন ভরে নাই। তার মা বাবাকে বাঁচাইতে আবারো টাইমলাইন গুলাইছে। এইটা টাইমলাইন নাকি বাগার দেয়া ডাইল যে বারবার ঘুটা দেয়া লাগে।
এতে কইরা প্রত্যেক সপ্তাহেই নতুন নতুন হালার্পুদের উৎপাত শুরু হয়। আর সে-ই একমাত্র ভাদাইম্মা যে কিনা তাদের থামাইতে পারে। পুরো সিজনে দুষ্টের দমণ করে ফিনালেতে গিয়ে নিজেই বিরাট এক আকাম বান্ধায়া দেয়। আর এভাবেই সে তিনটি মৌসুম কেঁদে হেসে খেলে কাটায় দিচ্ছে। সে হয় বাড়ি, সে হয় ঝলক। এই পোস্ট দেখে কেউ আবার আমারে কইরেন না বলক।

হেহে ! :D
ReplyDelete