১৮৯৪ সালের ঘটনা। সে সময়ে লন্ডনে খেটে খাওয়া শ্রমিক, ভবঘুরে কিংবা নেশাতুর লোকেরাই বিনোদনের জন্য থিয়েটারে ভিড় জমাতো। মঞ্চে গায়িকা বা নর্তকীর হেরফের হলেই চিৎকার-চেঁচামেচি করে থিয়েটার মাথায় তুলতো। তাঁর মা থিয়েটারে কাজ করতেন। একদিন মঞ্চে গান গাওয়ার সময় তাঁর মায়ের গলার স্বর ভেঙ্গে যায়, সেজন্য মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বাধ্য হোন। কিন্তু মঞ্চ ভর্তি দর্শককে বুঝ দেওয়ার জন্য মায়ের পরিবর্তে তাঁকে মঞ্চে ওঠানো হয় এবং তিনি গাইতে শুরু করেন— Jack Jones well and known to every body...
তাঁর গানে উল্লাসিত হয়ে দর্শকরা স্টেজে কয়েন ছুঁড়তে থাকে। হঠাৎ তিনি অঙ্গভঙ্গিসহ বলে ওঠেন— ‘আমি এখন আর গান গাইবো না; আগে পয়সাগুলো কুড়িয়ে নিই, তারপর আবার গাইবো’
এটিই ছিলো দর্শকের হাসির খোরাক হয়ে যাওয়া তাঁর প্রথম কৌতুকাভিনয়। তখন তাঁর বয়স ছিলো পাঁচ। পরবর্তী ৮৩ বছর পুরো দুনিয়া যার দর্শক ছিলো, তাকে প্রায় নিঃসঙ্গ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিলো। অথচ মৃত্যুর এক বছর পরে কবর থেকে তাঁর লাশটি পর্যন্ত চুরি হয়েছিলো।
“Life is a tragedy when seen in close-up,
but a comedy in long-shot.”
but a comedy in long-shot.”
https://media.giphy.com/media/3o7TKvVYIjPhAd1sY0/giphy.gif
এই দৃশ্যায়নকে বিশেষিত করবার জন্য এর চাইতে উপযুক্ত সংজ্ঞা পেলুম না। সংজ্ঞাটি যিনি দিয়েছেন, দৃশ্যটিও তিনিই নির্মান করেছেন। ১৯৩৬ সালের চ্যাপলিন স্যাটায়ার, মডার্ণ টাইমস্ সিনেমার দৃশ্য। ৮০ বছর পরেও যা এখনো মডার্ণ।

No comments:
Post a Comment